অর্থনৈতিক প্রাচুর্য ও সমৃদ্ধি সামাজিক প্রতিবাদের ক্ষেত্র ও সম্ভাবনাকে গ্রাস করতে পারে যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি নৈমিত্তিক ঘটনা। যদিও এই ধারণাটি সর্বদা সত্য নয় এবং সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে বার্গ তবু এখনো অনেক উন্নয়নশ দেশের সরকার ধারণাটিকে সমুন্নত রেখেছে। এই কারণে তারা সমস্ত চিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতে সম্পদ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে নিয়ে এসেছে যা যারা তারা তাদের অর্থনীতিকে প্রাচুর্যময় ও সমৃদ্ধশালী করে তুলবে। প্রবৃদ্ধি-কেন্দ্রিক বা প্রবৃদ্ধি-হাড়িত চিন্তা ভাবনা অর্থনীতিকে সমৃদ্ধির দিকে ধাবিত করলেও এটি আনা বণ্টনজনিত সমস্যার তৈরি করে যা বিভিন্ন সামাজিক সংঘাতের একটি বড় কারণ। তাত্ত্বিকভাবে সামাজিক সংঘাত হলো এক প্রকার রাজনৈতিক অভিব্যক্তিরাই বহিঃপ্রকাশ যা মানুষের বা নীতির জ্ঞান, ব্যবহার বা আচরণকে প্রভাবিত করার মাধ্যমে কোনো সংগে পরিবর্তন আনায়ন করে।
এই ধরনের সংঘাত প্রকাশ্যে জনগণের প্রদর্শন, মিছিল, নাগরিকের অবাধ্যতায় কিংবা অপ্রকাশ্যে আদালতে পিটিশন করা, বয়কট করা, লবিং করা এমনকি অনলাইনে কার্যক্রম পরিচালনার মতো হতে পারে। বর্তমানে সামাজিক প্রতিবাদের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হলো অনলাইন। সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমের উদ্ভব ও ভার্চুয়াল জগতের সৃষ্টির কারণে এটি। সামাজিক প্রতিবাদের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হলো সামাজিক মাধ্যম এবং এটি সময়ে সময়ে সরকার বা কর্তৃপক্ষকে সমস্যার সমাধান্তে বা খুঁত সারাতে বাধ্য করে। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে যখন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অগ্রযাত্রা বিরামহীনভাবে বাড়ছিল। সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এই সামাজিক প্রতিবাদ নিষ্পত্তি হয় এবং খুব বেশি গুরুতর না হলে এটি দীর্ঘায়িত হয় না। যারা এই প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করে তারা রাতারাতি কোনো পরিবর্তনের জন্য এটা করে না। একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই বের কোনো অসামঞ্জস্য বিষয়ের সুরাহার জন্য নীতি নির্ধারক ও কর্তৃপক্ষের নিকট তারা দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?